কিসমিস – Raisins

৳ 80.00৳ 400.00

✅ ১০০% শুদ্ধ মানের
✅ এটি স্বাদে ও মানে অতুলনীয়

SKU: N/A Category:

কিসমিস হলো শুকনো আঙ্গুর। এটি বিভিন্ন রঙে পাওয়া যায়, যার মধ্যে কালো, বাদামী এবং সোনালী রঙের কিসমিস সবচেয়ে জনপ্রিয়। কিসমিস বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে উৎপাদিত হয় এবং এটি সরাসরি খাওয়া যায় ও বিভিন্ন খাদ্য রান্নার সময় উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি প্রাচীনকাল থেকে শক্তি বা ক্যালরির চমৎকার উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

কিসমিসের কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা:

  • হজম উন্নত করতে পারে: কিসমিসে থাকা ফাইবার হজম উন্নত করতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
  • রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করতে পারে: কিসমিসে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করতে পারে।
  • হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সাহায্য করতে পারে: কিসমিসে থাকা পটাশিয়াম এবং ফাইবার হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সাহায্য করতে পারে।
  • ওজন কমানোতে সাহায্য করতে পারে: কিসমিস ফাইবার সমৃদ্ধ, যা আপনাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য পূর্ণ বোধ করতে সাহায্য করতে পারে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে: কিসমিসে থাকা ভিটামিন এবং খনিজ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে।
  • হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সাহায্য করতে পারে: কিসমিসে থাকা বোরন হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সাহায্য করতে পারে।
  • দাঁতের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সাহায্য করতে পারে: কিসমিসে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দাঁতের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সাহায্য করতে পারে।
  • চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সাহায্য করতে পারে: কিসমিসে থাকা ভিটামিন এ চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সাহায্য করতে পারে।

কিসমিস ব্যবহারের কিছু উপায়:

সরাসরি খাওয়া:

  • কিসমিস একটি সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর খাবার যা সরাসরি নাস্তা হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।
  • এটি ট্রেইল মিক্স, গ্রানোলা, বা দইতে যোগ করা যেতে পারে।
  • এটি শিশুদের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর এবং সুস্বাদু খাবার।

রান্নায় ব্যবহার:

  • কিসমিস বিভিন্ন ধরণের খাবারে স্বাদ এবং পুষ্টি যোগ করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • এটি পোলাও, বিরিয়ানি, এবং অন্যান্য চালের খাবারে ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • এটি মিষ্টি, ডেজার্ট, কেক, এবং বিস্কুট তৈরিতে ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • এটি মাংসের তরকারি এবং স্ট্যুতে ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • এটি রুটি এবং মুখরোচক খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

ওয়াইন এবং অন্যান্য পানীয় তৈরিতে ব্যবহার:

  • কিসমিস ওয়াইন এবং অন্যান্য মদ্যপান তৈরিতে ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • এটি ফলের রস এবং স্মুদিতে যোগ করা যেতে পারে।
  • এটি চা এবং কফিতে স্বাদ যোগ করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

কিসমিস ব্যবহারের কিছু সতর্কতা:

  • গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মহিলাদের অতিরিক্ত পরিমাণে কিসমিস খাওয়া উচিত নয়।
  • যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তাদের কিসমিস খাওয়ার সময় সতর্ক থাকা উচিত।
  • কিসমিসে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে, তাই এটি অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়।
ওজন

১০০ গ্রাম প্যাক, ২৫০ গ্রাম প্যাক, ৫০০ গ্রাম প্যাক

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “কিসমিস – Raisins”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shopping Basket